• Home
  • Article Details

নিয়োগকর্তাকে পাল্টা প্রশ্ন করুন

Jul 14, 2018

Share on

Article image

সাধারণত দেখা যায়, ইন্টারভিউ বোর্ডে চাকরিপ্রার্থী নিয়োগকর্তাকে কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেন না। কিন্তু করা উচিত। তা আদপে আপনার চাকরি পেতে বা পেলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে। বিজনেস ইনসাইডারের ভিডিও বার্তায় পরিচালক ম্যাট জন্সটন তেমনটাই জানাচ্ছেন। দেখা যাক কেমন হতে পারে সেই প্রশ্ন:

১.

নিয়োগকর্তাকে সরাসরি জিজ্ঞাসা করুন, এই প্রতিষ্ঠানে কাজ করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কোনটি উপভোগ করেন? এই প্রশ্নের উত্তরে নিয়োগকর্তা আপনাকে কর্মরত প্রতিষ্ঠানের অবয়ব তুলে ধরবেন। এতে করে সহজেই আপনি আপনার নতুন কর্মক্ষেত্রের সংস্কৃতি ও পরিবেশ সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাবেন।

২.

নিয়োগকর্তাকে জিজ্ঞাসা করুন, এই প্রতিষ্ঠানে আপনার নিজের কাজ শেখার সুযোগ কতখানি? এ ক্ষেত্রে নিয়োগকর্তার আকার-ইঙ্গিতে বুঝতে পারবেন, চাকরির ক্ষেত্রে করপোরেট সংস্কৃতি শেখার সম্ভাবনা কতটুকু রয়েছে।

৩.

নিয়োগকর্তা বরাবর প্রশ্ন রাখুন, কী করে আপনার ওপরের অথবা অধীনস্থ ম্যানেজারের সহযোগিতা পাবেন অথবা তাঁকে সহযোগিতা করতে পারবেন? এই প্রশ্নের উত্তরের মাধ্যমে আপনি সহজেই ধরতে পারবেন, যে সেই প্রতিষ্ঠানে কীভাবে কর্মচারীদের পরিচালনা করা হয়।

৪.

নিয়োগকর্তাকে আপনার চাকরির চ্যালেঞ্জগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করুন। এতে আপনার কর্মক্ষেত্রের পরবর্তী অবস্থান ও প্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা করা সহজ হবে।

৫.

আপনার চাকরির ক্ষেত্রে প্রধান অগ্রাধিকার হবে কোন কাজ? নিয়োগকর্তার কাছে প্রশ্ন রাখতে পারেন, এতে আপনার কাজের গতি এবং কী রকম কাজ হতে পারে, তা বোঝা সহজ হবে।

৬.

নিয়োগকর্তার কাছে জানতে চাইতে পারেন, আপনার পূর্ববর্তী কর্মকর্তা বা কর্মচারীর এখানে কী কী সাফল্য ছিল? এই প্রশ্নের উত্তর আপনাকে সহজেই প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের মাপকাঠির পরিমাপের ধারণা দেবে। প্রতিষ্ঠান কীভাবে কর্মচারীদের বিচার করে, তার সঠিক প্রতিচ্ছবি আপনার কাছে পরিষ্কার হবে।

৭.

নিয়োগকর্তার কাছে সরাসরি জানতে চান, আপনার যোগ্যতা সম্পর্কে নিয়োগকর্তার কোনো ধরনের সন্দেহ আছে কি না? এই উত্তরে আপনি আপনার চাকরিটা পাওয়ার সুযোগ কতটুকু আছে, সে সম্পর্কে পরিষ্কার হয়ে যাবেন। সহজেই আপনি বুঝতে পারবেন, আসলে নিয়োগকর্তা আপনার শিক্ষা ও পেশাগত যোগ্যতায় কতটুকু সন্তুষ্ট।

এসব প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। কেননা চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাসের অভাব থাকলে ফল ভালো হয় না।

সূত্রঃ প্রথম আলো